খুলনায় কাঁচা পাট সংকটে রবিবার থেকে বন্ধ হচ্ছে খুলনার ২৩ জুট মিল

অতিবৃষ্টির কারনে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ও গোপালগঞ্জে কাংখিত পাট উৎপাদন হয়নি। দেশীয় মিল বাচাতে ৮ সেপ্টেম্বর থেকে সরকার রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। মিল গুলোতে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনী কাঁচা মালের অভাব দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জুট মিল মালিকদের সংগঠন রবিবার থেকে খুলনার ২৩ টি মিলের উৎপাদনের চাকা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মে- জুন মাসে দক্ষিন জনপদে অতিবৃষ্টিতে উৎপাদন ব্যহত হয়।
১ লা জুলাই পাট মৌসুম শুরু হলেও দৌলতপুর ও নারায়ণগঞ্জের মোকামে কাংখিত এ পন্য আসেনি। পাশাপাশি ভারত সে দেশের কৃষকদের বাঁচাতে রপ্তানি নিষিদ্ধ করে। বিপদে পড়ে যায় খুলনার রপ্তানিকারকরা। সুযোগ বুঝে স্থানীয় মোকামে অবৈধ মজুদ করা হয়েছে। রপ্তানির সুযোগ না থাকায় চুকনগর, কপিলমুনি,তেরখাদা, ঝাউডাঙা, তালা, কলারোয়া, ও পারুলিয়া হাটে দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। মিল গুলো কাঁচামাল সংগ্রহ করতে পারছে না। মিল মালিকদের সংগঠন দৌলতপুর জুট মিল, খালিশপুর জুট মিল, স্টার জুট মিল, সাগর জুট মিল, জুট টেক্সটাইল, জয় জুট, হাবিব এগ্রো জুট, আইয়ান জুট, যশোর জুট, নোমানি জুট, ওয়াহাব জুট, ফারুক জুট, ওয়েব জুট, সুপার জুট, এফ আর জুট, ওয়েব জুট, কোয়ালিটি জুট, ইয়াসিন জুট, আগামী রবিবার থেকে উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জুট মিল মালিকদের সংগঠন সরকারকে দেওয়া এক চিঠিতে উল্লেখ করেছে, মিল গুলোতে কাঁচা মালের সংকট দেখা দিয়েছে। উৎপাদন কার্যক্রম ব্যহত হওয়ার পথে। স্থানীয় বাজার গুলোতে অস্বাভাবিক মুল্য বেড়েছে। মধ্যসত্ত্বাভোগীরা মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে। বিজেএসের চেয়ারম্যান তাপস প্রামানিক বর্তমান প্রক্ষাপট নিয়ে বলেন, মজুদদার সবকিছু নিয়ন্ত্রন করছে।
তিনি আশংকা করছেন রপ্তানিকারকদের কারসাজির কারনে মুল্য আরোও বৃদ্ধি হতে পারে। পাট অধিদপ্তর, খুলনার সহকারী পরিচালক ( ভারপ্রাপ্ত) সরজিৎ সরকার বলেন, দক্ষিন জনপদের এসব হাটে প্রতি মন ৪ হাজার ৮শ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে। বুধবার মন প্রতি ২শ টাকা কমেছে।
জানুয়ারির এসময় কৃষকের ঘরে মজুদ নেই। মোংলা কাস্টমস হাউজের সহকারী কমিশনার লোপা সাহা গত ২০ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে মোংলা বন্দর থেকে কোন পাট রপ্তানি হয়নি।


























